1. nasiralam4998@gmail.com : admi2017 :
শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৪৩ অপরাহ্ন

৬ দফা নিয়ে মানববন্ধন করছে বাংলাদেশ প্রান্তিক পোল্ট্রিশিল্প সংগঠন

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০২২
  • ৮৭ বার
৬ দফা দাবিতে পোল্ট্রি খামারিদের মানববন্ধন। ছবিঃ সংগৃহিত

‘বাঁচাও পোল্ট্রি শিল্প রক্ষা করুন কর্মসংস্থান’-স্লোগানে ৬ দফা দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ প্রান্তিক পোল্ট্রিশিল্প সংগঠন কেন্দ্রীয় কমিটি।

‘একটি বাড়ি একটি খামার, রক্ষা করবে সরকার’- এই দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেন সারাদেশ থেকে আসা প্রান্তিক খামারিরা।

বুধবার (৯ নভেম্বর) সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারিদের এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রান্তিক পোল্ট্রিশিল্প সংগঠন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মো. মফিজুল ইসলাম (মল্লিক) ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মানিক হাসান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, এই পোল্ট্রি শিল্পকে যদি বাঁচানো না যায়- তাহলে দেশের ১৬ কোটি মানুষের আমিষ চাহিদার ওপর চাপ বাড়বে। একসময় একটি ডিম এই দেশের মানুষকে ৩০ টাকায় কিনতে হবে আর ১ কেজি পোল্ট্রি মুরগির মাংসের দাম হবে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা।

বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে বাংলাদেশ প্রান্তিক পোল্ট্রিশিল্প সংগঠন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মো. মফিজুল ইসলাম (মল্লিক) প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাক্ষাতের সময় চেয়ে তাদের ৬ দফা দাবি তুলে ধরেন।

৬ দফা দাবি
১।  ব্রয়লার মুরগির ৫০ কেজি প্রতি বস্তা খাদ্যের দাম ২০০০ থেকে ২১০০ টাকার  আনতে হবে।  খাদ্যের মান বৃদ্ধি করতে হবে। লেয়ার সোনালীসহ অন্যান্য মুরগির খাদ্যের কেজি প্রতি বস্তা ১৭০০ থেকে ১৮০০ টাকার মধ্যে আনতে হবে।

২। ব্রয়লার ও লেয়ারসব সব ধরনের মুরগির বাচ্চার দাম বাৎসরিকভাবে ২০ থেকে ২৫ মধ্যে আনতে হবে এবং বাচ্চার মান বৃদ্ধি করতে হবে।৩। খাদ্য ও বাচ্চা উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো তারা নিজেরা বাচ্চা উৎপাদন করে খামারিদের কাছে বিক্রি করে এবং নিজেরা ব্রয়লার ও লেয়ারসহ সব ধরনের  রেডি মুরগির উৎপাদন করে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে তাই খামারিরা ধ্বংসের পথে। সেই ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোর রেডি মুরগি উৎপাদন করা করতে হবে।

৪।  আমরা প্রণোদনার টাকা চাই না, আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে বিনীতভাবে অনুরোধ থাকবে বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলায় ৩০০ জন নিবন্ধিত খামারিকে স্বল্পসুদে সহজ শর্তে প্রতি ১০০০ পালনকারী খামারিকে কমপক্ষে ৩ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণ দিতে হবে।

৫। প্রতি একজন খামারি দশ হাজার মুরগির উপরে কোন ধরনের রেডি মুরগি উৎপাদন করতে পারবে না।

৬। সারা বাংলাদেশ থেকে উঠে আসা প্রান্তিক খামারিদের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটির প্রাণিসম্পদ সংগঠনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..