1. nasiralam4998@gmail.com : admi2017 :
মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন

মশা দিয়েই মশা নির্মূল, বলছে ব্রিটিশ বায়োটেক কোম্পানি

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১ মে, ২০২১
  • ২০৬ বার
মশা দিয়েই হবে মশার নির্মূলীকরণ
ফাইল ফটো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মশা দিয়েই হবে মশার নির্মূলীকরণ। মশাবাহিত একাধিক রোগ যেমন ডেঙ্গু অথবা জিকা ভাইরাস নির্মূলকরণে এবার নামানো হবে মশাদের নিজস্ব বাহিনী।

সৌজন্যে একটি ব্রিটিশ বায়োটেকনোলজি কোম্পানি। এই কোম্পানির উদ্যোগেই, জৈবিকভাবে তৈরি করা হবে এডিস মশার এক বিশেষ প্রজাতি। এই প্রজাতির মশাদের বৈশিষ্ট্য হল, লৈঙ্গিকভাবে এই প্রত্যেকটি মশাই হবে পুরুষ। ফলত কামড়াতে অথবা কামড়ের মধ্য দিয়ে জটিল রোগের ভাইরাস যেমন ডেঙ্গু অথবা জিকা ছড়াতে এরা হবে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। শুধু তাই নয়, এই মশাদের ব্যবহার করা হবে, প্রকৃতিতে স্ত্রী এডিস মশাদের উপস্থিতি হ্রাসের উদ্দেশ্যে। এই স্ত্রী এডিস মশারাই যাবতোয় রোগের ভাইরাস ছড়িয়ে থাকে। এদের প্রকোপ কমাতেই, এবার ব্যবহার করা হবে এই বিশেষভাবে উত্‍পাদিত পুরুষ মশাদের।

ব্রিটিশ বায়োটেক কোম্পানির এই নতুন প্রজেক্ট নিয়ে ইতিমধ্যেই বেশ বিতর্কের ঝড় উঠেছে। বিভিন্ন তরফ থেকে নানারকম আপত্তি তৈরি হয়েছে এই প্রকল্প নিয়ে। জোর করে মশাদের এই প্রজাতি তৈরি পাসলে পরিবেশের ভারসাম্য বিঘ্ন করতে পারে, এমনটাই মত পরিবেশবাদীদের। অনেকে এই প্রজেক্টকে আবার বলেও দাবি করেছেন।

অনেকে মনে করছেন, এই নতুন প্রজেক্টের ফলে ল্যাবে তৈরি মশার সঙ্গে পরিবেশের বুনো মশার সঙ্গমের ফলে জন্ম নিতে পারে এক অন্য ধরনের মশা। যে মশা এই দুইয়ের থেকেই অনেক বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে মানুষের সর্বাঙ্গীন উপস্থিতির জন্য। সব মিলিয়েই সিঁদুরে মেঘ দেখেছেন অনেকে। বস্তুত এই প্রকল্প দীর্ঘদিন ধরে চলছে। কিন্তু কয়েকদিন আগে, এই নতুন প্রকল্পের জন্য আমেরিকার ফ্লোরিডা শহরের লোকাল অফিসারেরা ৭৫০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করছেন। যা নিয়ে আবার নতুন করে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। পরিবেশবাদী ও এই নতুন প্রোজেক্ট সম্পর্কে অবিশ্বাসী একদল মানুষের দাবী, এই প্রোজেক্ট এখনো অবধি এমন কোনোরকম গ্যারান্টি দিতে পারেনি, যেখানে এই প্রোজেক্টের ফলে পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রে কোনো বাজে প্রভাব পড়বেনা। এই নতুন প্রকল্পের ফলে আসলে ভবিষ্যতে মানুষই বিপদে পড়বেন এমনটাও মনে করেছেন অনেকে।

এত বিতর্ক সত্ত্বেও ‘ Centers for Disease Control and Prevention and the Florida Department of Agriculture and Consumer Services’ এই প্রকল্পকে গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছে। ওই ব্রিটিশ বায়োটেক কোম্পানির দাবী, এই প্রকল্প নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা তারা আগেও চালিয়েছে।

দর্শনা নিউজ 24/এইচ জেড

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..